ফ্ল্যাট কেনার পূর্বে আইনি কাগজপত্র যাচাই, বিল্ডিংয়ের স্ট্রাকচারাল নিরাপত্তা এবং লুকায়িত খরচ এড়ানোর জন্য Civil Master টিম প্রণীত বিশেষ নির্দেশিকা।
ফ্ল্যাটের আনুমানিক মোট দাম দিলে সম্ভাব্য সরকারি রেজিস্ট্রেশন ফি (৮-১০%) বের হয়ে আসবে
ফ্ল্যাট কেনার আগে জমির CS, SA, RS, BS খতিয়ান, নামজারি (Mutation), এবং ডিড অফ এগ্রিমেন্ট সঠিকভাবে যাচাই করুন যেন কোনো আইনি জটিলতা না থাকে।
বিল্ডিংটি রাজউক, সিডিএ বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত প্ল্যান অনুযায়ী নির্মিত হচ্ছে কিনা এবং সেটব্যাক রুলস মানা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
বিল্ডিংয়ের সয়েল টেস্ট রিপোর্ট (Soil Test Report) এবং BNBC কোড অনুযায়ী ভূমিকম্প সহনশীল (Seismic Resistant) নকশা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
গ্রস এরিয়া এবং নেট এরিয়ার পার্থক্য ভালোভাবে বুঝে নিন। রেজিস্ট্রেশন ফি, ইউটিলিটি কানেকশন চার্জ ও মেইনটেন্যান্স ফান্ডের স্বচ্ছতা রাখুন।
ডেভেলপার কোম্পানি রিহ্যাভ (REHAB) বা রাজউক নিবন্ধিত কিনা এবং প্রজেক্টটি কোনো ব্যাংকে মর্টগেজ/বন্ধক দেওয়া আছে কিনা তা যাচাই করুন।
আমাদের সিভিল অডিট টিম দ্বারা তৈরি ২০ পাতার পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা বই যা আপনাকে প্রতারণা ও আইনি ঝুঁকি থেকে মুক্ত রাখবে।
কার্পেট এরিয়া হলো দেয়ালের ভেতরের ব্যবহারের উপযোগী প্রকৃত জায়গা। অন্যদিকে, গ্রস এরিয়াতে ফ্ল্যাটের সাথে সিড়ি, লিফট, লবি ও বারান্দার আনুপাতিক অংশ যোগ করা থাকে। সাধারণত গ্রস এরিয়া কার্পেট এরিয়ার চেয়ে ১৫% থেকে ২৫% বেশি হয়ে থাকে।
বর্তমানে বাংলাদেশে ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন খরচ মোট বিক্রয়মূল্যের আনুমানিক ৭% থেকে ১০% হয়ে থাকে, যার মধ্যে স্ট্যাম্প ডিউটি, গেইন ট্যাক্স, রেজিস্ট্রেশন ফি এবং স্থানীয় সরকার কর অন্তর্ভুক্ত।
প্রাঙ্গণে তালিকাভুক্ত প্রতিটি প্রজেক্টের সয়েল টেস্ট, স্ট্রাকচারাল ডিজাইন, রাজউক প্ল্যান ও আইনি মালিকানা পূর্বেই আমাদের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং টিম দ্বারা ১০০% যাচাই করা থাকে, ফলে পরবর্তীতে কোনো আইনি বা কাঠামোগত ঝুঁকিতে পড়তে হয় না।