একটি বিল্ডিং বাইরে থেকে নিখুঁত মনে হলেও যদি রাজউকের নকশা বহির্ভূতভাবে তৈরি হয় বা আইনগত সীমানা মেনে না চলে, তবে পরবর্তীতে তা ভাঙার ঝুঁকিতে পড়ে। আমরা প্রথমেই প্রজেক্টের অনুমোদিত রাজউক নকশার সাথে সাইটের প্রকৃত ফিজিক্যাল মেজারমেন্ট মেলাই।
আমরা শুধু চোখ দিয়ে দেখে কোনো বিল্ডিং তালিকাভুক্ত করি না। আমাদের গ্র্যাজুয়েট সিভিল ও স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারদের টিম বিএনবিসি (BNBC 2020) কোড মেনে মাটির বহন ক্ষমতা টেস্ট, রড-কনক্রিট স্ক্যানিং এবং ৩D সফটওয়্যার সিমুলেশন সম্পাদন করে তবেই প্রজেক্ট অনুমোদন দেয়।
আমাদের প্রতিটি অডিট চেকলিস্ট BNBC 2020 (Part 6: Structural Design) এবং ACI 318 (American Concrete Institute) কোড অনুসরণ করে ডিজাইন করা হয়েছে, যা ৭.০+ মাত্রার ভূমিকম্প ও সর্বোচ্চ ক্যাটাগরির ঝড় সহনশীলতা নিশ্চিত করে।
কোনো ভবনে হাত দেওয়ার আগে আমরা আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড ও ল্যাব টেস্টের ডাটা সংগ্রহ করি
মাটির SPT (Standard Penetration Test) মান অনুযায়ী ডিপ পাইলিং বা রাফট ফাউন্ডেশনের ক্যাপাসিটি রি-ক্যালকুলেট করা হয় যাতে কোনো অবস্থাতেই ভবনে অসম দেবে যাওয়ার (Differential Settlement) ঝুঁকি না থাকে।
বিল্ডিংয়ের কলাম ও বিমের ভেতরে ৬০/৭২ গ্রেডের সঠিক রড ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং কনক্রিটের কম্প্রেসিভ স্ট্রেন্থ (PSI) কত তা ল্যাবরেটরি এনডিটি (NDT) সেন্সর দিয়ে পরীক্ষা করা হয়।
ETABS এবং SAFE কম্পিউটিং সফটওয়্যারে বিল্ডিংয়ের ৩D ডিজিটাল টুইন বানিয়ে BNBC নির্দেশিত Seismic Zone-2/Zone-3 লেভেলের আর্থকোয়েক লোড দিয়ে টেস্ট করা হয়।
রাজউক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাসকৃত নকশার সাথে সাইটের বাস্তব পরিমাপের ১০০% মিল, সেট-ব্যাক (Setback), ফার (FAR) এবং নির্ভেজাল মালিকানা নিশ্চিত করা হয়।
একটি প্রজেক্ট আবেদন থেকে 'Verified Certificate' পাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি কড়া ধাপ
একটি বিল্ডিং বাইরে থেকে নিখুঁত মনে হলেও যদি রাজউকের নকশা বহির্ভূতভাবে তৈরি হয় বা আইনগত সীমানা মেনে না চলে, তবে পরবর্তীতে তা ভাঙার ঝুঁকিতে পড়ে। আমরা প্রথমেই প্রজেক্টের অনুমোদিত রাজউক নকশার সাথে সাইটের প্রকৃত ফিজিক্যাল মেজারমেন্ট মেলাই।
মাটিই হলো যেকোনো ভবনের মূল শক্তি। আমাদের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের টিম সাইটে পৌঁছে মাটির ধরন, পিডাব্লিউডি (PWD) ওয়াটার লেভেল এবং মাটির ভারবহন ক্ষমতা যাচাই করে।
বিল্ডিং ভাঙা না হলেও আধুনিক NDT ডিভাইস দিয়ে কনক্রিটের সিআরআইসি শক্তি (Strength) এবং কলামের প্লাস্টারের ভেতর লুকানো রডের নিখুঁত ছবি বের করা হয়।
ল্যাব এবং সাইট থেকে সংগৃহীত প্রকৃত উপাত্ত বিশ্বমানের স্ট্রাকচারাল এনালাইসিস সফটওয়্যার ETABS ও SAFE-এ তুলে ধরে ডিজিটাল মডেল তৈরি করা হয়।
কোনো মনগড়া বা আন্দাজি তথ্য নয়; প্রাঙ্গণের প্রতিটি রিপোর্ট ডাটা ও ল্যাব প্রুভেন
কনক্রিটের ওপর আঘাতের প্রতিক্রিয়া মেপে কলাম ও বিমের ধারণক্ষমতা (Compressive Strength in PSI/MPa) মুহূর্তেই নির্ধারণ করে।
প্লাস্টারের নিচে কলামে ব্যবহৃত রডের ব্যাস (১৬ মিমি/২০ মিমি), রডের সংখ্যা এবং রডের দূরত্ব নিখুঁতভাবে স্ক্যান করে।
আল্ট্রাসনিক সাউন্ড ওয়েভ পাঠিয়ে কলাম বা বিমের ভেতরের গোপন ফাঁপা জায়গা, চিড় ও কাস্টিং দুর্বলতা বের করে।
ইলেকট্রিক্যাল শর্ট সার্কিট ঝুঁকি, সাব-স্টেশন নিরাপত্তা এবং অগ্নিনির্বাপণ পাম্পের কাজের ক্ষমতা নিরীক্ষা করে।
ফ্ল্যাট কেনা, ইঞ্জিনিয়ারিং অডিট সার্ভিস বা প্রজেক্ট তালিকাভুক্তির জন্য সরাসরি যোগাযোগ করুন।